২০১১-র ইন্ডিয়া এগেনস্ট করাপশন (আইএসি) প্রচার আন্দোলন বিজেপি-আরএসএস-র মস্তিস্কপ্রসূত ছিলো। আমি সেই সময় বিষয়টা বুঝতে পারিনি। এই প্রচার ইউপিএ সরকার ফেলার এক চক্রান্ত ছিলো। ইন্ডিয়া টুডে টিভিতে এক সাক্ষাৎকারে একথা জানিয়েছেন প্রশান্তভূষণ। এর আগে একই অভিযোগ জানিয়েছিলো কংগ্রেস।

প্রশান্তভূষণ আরও বলেন, সম্ভবত আন্না হাজারেও এই বিষয়টি জানতেন না। অরবিন্দ কেজরিওয়াল যে বিষয়টি পুরোই জানতেন সে বিষয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই।

তিনি আরও বলেন – অরবিন্দ কেজরিওয়াল যে একজন নীতিহীন মানুষ তা তিনি আগে বুঝতে পারেননি। সেটা তাঁর দ্বিতীয় বহুল। পরে আমি বুঝতে পেরেছি যে আরও এক ফ্রাঙ্কেনস্টাইন তৈরি হয়েছে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের চরিত্র গত লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে একাধিক ঘটনায় আরও স্পষ্ট হয়ে গেছে।

২০১১ সালে টিম আন্না হাজারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন অরবিন্দ কেজরীওয়াল, প্রশান্ত ভূষণ সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি। ওই আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন কিরণ বেদী, অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল ভি কে সিং প্রমুখ। যাঁদের উদ্যোগে লোকপাল বিলের দাবীতে হয়েছিলো ইন্ডিয়া এগেন্সট করাপশন আন্দোলন। এই প্রচার আন্দোলনের কোর কমিটির সদস্য ছিলেন প্রশান্ত ভূষণ। পরবর্তী সময়ে আম আদমি পার্টিরও তিনি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। যদিও ২০১৫ সালে যোগেন্দ্র যাদব এবং তাঁকে দল বিরোধী কাজের অভিযোগে আম আদমি পার্টি বহিষ্কার করে। অন্যদিকে কিরণ বেদি এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনা প্রধান ভি কে সিং বিজেপিতে যোগ দেন।

২০১২ সালে সরাসরি রাজনীতিতে যোগ দেওয়ায় আন্না হাজারের সঙ্গে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সম্পর্কের অবনতি হয় এবং আন্না হাজারে নিজেকে কেজরিওয়ালের কাছ থেকে সরিয়ে নেন।


পিপলস রিপোর্টার এর সব খবর এখন Telegram-এও।
সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে - t.me/peoplesreporter 
সব খবর পেয়ে যান হাতের মুঠোয়, এক মুহূর্তে
গুজবে নয়, খবরে থাকুন পিপলস রিপোর্টারের সঙ্গে থাকুন


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন