‘সহজ কথায় দিনে ডাকাতি’। জিএসটি বাবদ বিভিন্ন রাজ্য সরকারের প্রাপ্য কেন্দ্রীয় সরকার দিতে পারবে না বলায় এভাবেই প্রতিক্রিয়া জানালেন সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। গতকালই জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে একথা জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।

 

গতকাল বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন করোনা মহামারীকে 'বিধির বিধান' বলে উল্লেখ করে বলেন, "এই বছর আমরা এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি। বিধির বিধানে আমরা এখন অবস্থার মুখোমুখি হয়েছি যেখানে আমরা তীব্র মন্দা দেখতে পাচ্ছি।" জিএসটি-র ঘাটতি পূরণের জন্য রাজ্য সরকারগুলোকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেবার কথাও জানানো হয়।

 

এই প্রস্তাবের সমালোচনা করে তাঁর ট্যুইট বার্তায় ইয়েচুরি জানান – প্রয়োজন হলে কেন্দ্রীয় সরকারকে টাকা নিয়ে রাজ্যের ন্যায্য প্রাপ্য টাকা মেটাতে হবে। রাজ্য কেন ঋণ করবে?

 

অন্য এক ট্যুইটে অর্থমন্ত্রীর ‘অ্যাক্ট অফ গড’ মন্তব্যের সমালোচনা করে  ইয়েচুরি বলেন – কোঅপারেটিভ ফেডারিলজম? ভারতীয় অর্থনীতিকে ধ্বংস করার পর এবার রাজ্য লুঠ করার বন্দোবস্ত। ঐশ্বরিক হস্তক্ষেপ?

 

অন্য এক ট্যুইটে ইয়েচুরি লেখেন – মহামারীর আগেই ধান্দাপ্রসূত অযোগ্যতা, উদাসীনতার মিশ্রণ আমাদের দেশের মানুষের জীবন জীবিকা নষ্ট করেছে। এখন বিধিকে দোষ দিচ্ছেন?  

এদিনই সিপিআই(এম) পলিটব্যুরোর বিবৃতি উদ্ধৃত করে সীতারাম ইয়েচুরি বলেন – কেন্দ্রীয় সরকারকে অবশ্যই তার বাধ্যতামূলক দায়িত্ব পালন করতে হবে। সমস্ত রাজ্য সরকারকে অবিলম্বে তাদের প্রাপ্য জিএসটি বকেয়া মিটিয়ে দিতে হবে। রাজ্যকে ঋণ নিতে বাধ্য করা চলবে না। কেন্দ্রীয় সরকারকে এই ঋণ নিয়ে রাজ্য সরকারের ন্যায্য পাওয়া মিটিয়ে দিতে হবে।


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন