বিপ্লব মিত্র বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরেছেন ৩১ জুলাই। এর মধ্যেই ফের বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে আরও বেশ কিছু শীর্ষস্থানীয় বিজেপি নেতা এই গুঞ্জনে সরগরম রাজনৈতিক মহল। যে গুঞ্জন চাপা দিতে ময়দানে নামলেন পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়।

সোমবার সকাল সাড়ে এগারোটায় এক ট্যুইত বার্তায় বিজেপি নেতা বিজয়বর্গীয় জানান – কোনো কোনো নিউজ চ্যানেল বিজেপি সাংসদদের তৃণমূলে যাবার খবর প্রচার করছে। আমরা এইধরনের খবরের নিন্দা করি। বিজেপির সমস্ত সাংসদই বিজেপির সঙ্গে আছেন এবং মোদীজির নেতৃত্বে কাজ করছেন।

যদিও কৈলাস বিজয়বর্গীয় এই ট্যুইট করলেও বিজেপি সাংসদ, নেতাদের তৃণমূলে ফেরার খবর ঘিরে গুঞ্জন এখনও বন্ধ হয়নি। এদিনই সকালে টাইমস নাও এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যাকে ঘিরে সরগরম হয়ে ওঠে রাজনৈতিক মহল।

টাইমস নাও-এর ওই প্রতিবেদনে বলা হয় চার বিজেপি সাংসদ, ১ বিধায়ক এবং ১৬ জন কাউন্সিলর বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে ইচ্ছুক এবং তাঁরা তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছেন। যদিও কোনো সাংসদ বা বিজেপি নেতার নাম প্রকাশ করা হয়নি ওই প্রতিবেদনে।

প্রসঙ্গত তৃণমূলের সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণে ২০১৭ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন তৃণমূলের দ্বিতীয় স্তম্ভ মুকুল রায়। এরপর একাধিকবার তিনি ফের তৃণমূলে ফিরবেন বলে গুজব উঠেছে। সাম্প্রতিক সময়ে এই গুজব ওঠার পর মুকুল রায় সাংবাদিক সম্মেলন করে এই অভিযোগ অস্বীকার করেন।

সম্প্রতি বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন – রাজ্যে বিজেপির উত্থানে তৃণমূল শঙ্কিত। তাই বিজেপির মধ্যে বিভেদ তৈরি করার জন্য গুজব রটাচ্ছে।

যদিও রাজনৈতিক মহলে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে রাজ্য বিজেপির শীর্ষস্তরে নেতৃত্ব নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে। যা নয়াদিল্লীতে পশ্চিমবঙ্গ প্রসঙ্গে বিজেপির সাম্প্রতিক বৈঠকের পর আরও বেড়েছে। উল্লেখযোগ্য ভাবে কেন্দ্রীয় স্তরের ওই বৈঠক দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হলেও বিজেপির কোনো শীর্ষস্থানীয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ওই বৈঠকে যোগ দেননি।