উন্নয়ন সূচকে প্রথম বিশ্বের দেশগুলোর সঙ্গে তুলনায় আসে কেরল। এবার রাজ্যের স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে মূলধন অর্জনের লক্ষ্যে তাঁদের প্রশিক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দেবে কেরল সরকার। এমনটাই জানালেন, কেরলের অর্থমন্ত্রী থমাস আইজ্যাক।

এক টেলিফোনিক সাক্ষাৎকারে সংবাদমাধ্যমে আইজ্যাক বলেছেন, মহামারীর সময় জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বিনিয়োগের অভাব জাতীয় অর্থনীতিকে পুরোপুরি দুর্বল করে দিতে পারে বলে টের পেয়েছে দেশগুলো। সারা বিশ্বে কেরলের নার্স ও প্যারামেডিকসের চাহিদা রয়েছে। সর্বোচ্চ সাক্ষরতার হার এবং দেশের সর্বোচ্চ লিঙ্গ অনুপাতের মতো অর্থনৈতিক ও সামাজিক উপার্জনকে চালিত করতে সহায়তা করার ইতিহাস রয়েছে কেরলের। বিদেশে বসবাস করা এই রাজ্যের ভারতীয়রা গত বছর প্রায় ৮০ বিলিয়ন ডলারের এক পঞ্চমাংশ দেশে পাঠিয়েছে। করোনা ভাইরাসের মহামারীকালে বিশ্বব্যাংক কর্মসংস্থান হ্রাস করায় স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণে রাজ্য সরকার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে। তবে এখনই কর্মসংস্থানে হ্রাস দেখতে পাচ্ছেন না রাজ্যের অর্থমন্ত্রী আইজ্যাক। স্বাভাবিক কারণেই রাজ্যের লোকেরা বাড়ি ফিরছে। সুতরাং তাঁরা সমস্ত সঞ্চয় সঙ্গে করে নিয়ে আসবেন বলেও মনে করেন তিনি।

তাঁর মতে, কেরলে মাথাপিছু ব্যয়ের পরিমাণ দেশে সবচেয়ে বেশি। মহামারী-পরবর্তী সময়ে রাজ্যের অর্থনীতি পুনর্নির্মাণের জন্য বেশ কয়েকটি কর্মসূচি নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো উন্নতি ও রাজ্যে স্থানান্তরিত হওয়া বেশ কিছু সংস্থাকে ঋণ দেওয়া ও সুদের উপর ছাড় দেওয়া। এই লক্ষ্যে কেরল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড বোর্ডের মাধ্যমে ৫০০ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেবে। আগামীদিনে স্বাস্থ্যখাতেও ব্যয়ের পরিমাণ অস্বাভাবিক হারে বাড়তে চলেছে বলে জানিয়েছেন আইজ্যাক।


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন