পাঞ্জাব বিষমদ কান্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৮৬। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে আরো বহু মানুষ, যাদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় ২৫ জনকে গ্রেফতারের পাশাপাশি সাত জন আবগারি অফিসার ও ছ'জন পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করেছে ক‍্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকার। যদিও এই ঘটনায় সরাসরি সরকারকে অভিযুক্ত করে মুখ‍্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছে রাজ‍্যের বিরোধী দল শিরোমণি আকালি দল।

 আকালি নেতা সুখবীর সিং বাদল এক বিবৃতিতে বলেছেন, "কংগ্রেসের নেতা, বিধায়ক ও মন্ত্রীদের পৃষ্ঠপোষকতায় রাজ‍্যে রমরমিয়ে চলছিল অবৈধ মদের ব‍্যবসা, যার ভয়ঙ্কর পরিণতি আজকের এই ট্র‍্যাজেডি। এটা পরিকল্পিত খুন। শাসকদলের মন্ত্রী, বিধায়ক সহ সমস্ত দোষীদের গ্রেফতার করতে হবে।" তিনি আরও বলেন, এই ভয়াবহ অপরাধের নৈতিক দায় গ্রহণ করে অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।

মুখ্যমন্ত্রী কর্তৃক নির্দেশিত ম‍্যাজিস্টেরিয়াল তদন্ত বাতিল করে হাইকোর্টের বিচারক কর্তৃক স্বতন্ত্র তদন্তের দাবি তুলেছেন সুখবীর বাদল।

এর জবাবে পাল্টা মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "মৃত্যু নিয়ে এরকম নোংরা রাজনীতি করা উচিত নয়। আকালি দল-বিজেপি ক্ষমতায় থাকাকালীন ২০১২ ও ২০১৬ সালে গুরুদাসপুর ও বাটালাতেও এইধরনের ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনাতেও অনেকে মারা গিয়েছিলেন।" বাটালার ক্ষেত্রে মূল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে ব‍্যবস্থা নেওয়া তো দূরের কথা এফআইআরও দায়ের করা হয়নি বলে জানান ক‍্যাপ্টেন।

বর্তমান ঘটনায় সবথেকে বেশি মৃত্যু হয়েছে তার্ণ তারন জেলাতে, ৬৩ জনের। অমৃতসরে ১২ জন ও গুরুদাসপুরে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় অমৃতসরের মুছল গ্রামে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে পর্যন্ত ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল। পরের একদিনেই আরো ৪৮ জন মারা যান। কতজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন সে বিষয়ে পরিষ্কার কোনো তথ্য দিতে চাননি সরকারি আধিকারিকরা।


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন