চিনের প্রসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সফর চলাকালীন কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে ফেলা হচ্ছে চেন্নাই শহর ও সংলগ্ন এলাকাকে। মোদি-জিনপিং বৈঠককে কেন্দ্র করে চেন্নাইয়ে প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। এই দুই রাষ্ট্রনেতার নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে শুক্রবার চেন্নাইয়ের পথে নামছে ১০ হাজার পুলিশ কর্মী। লাগানো হচ্ছে ৫০০টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা। নিয়োগ করা হচ্ছে ৪৩ জন বিশেষ অফিসার।

বেসরকারি শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার চেন্নাইয়ে আসছেন চিনের প্রসিডেন্ট শি জিনপিং। দুপুর দেড়টায় তাঁর বিশেষ বিমান নামবে চেন্নাই বিমানবন্দরে। এদিনই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এক বেসরকারি বৈঠক করবেন।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, বিমানবন্দর থেকে জিনপিংয়ের হোটেলের দূরত্ব সাড়ে সাত কিলোমিটার।  এই পথ পাড়ি দিয়ে হোটেলে ঢুকতে চিনা প্রেসিডেন্টের ৯ মিনিট সময় লাগবে। তাই ওই সময় এয়ারপোর্টগামী রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ থাকবে। বেশ কয়েকটি রাস্তায় যানবাহন ঘুরিয়ে দেওয়া হবে।

নিরাপত্তাজনিত কড়াকড়িতে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও শুক্র ও শনিবার পথে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছ, এই দু’দিন পথে বের হওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের অবশ্যই সচিত্র পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে। বঙ্গোপসাগর উপকূলেও চলবে কড়া নজরদারি। উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত নজরদারি চালাবে উপকূলরক্ষী বাহিনীর বিশেষ জাহাজ। কোনও অননুমোদিত জলযান শুক্র ও শনিবার চেন্নাই উপকূলে ভিড়তে পারবে না।

রাজ্যের মুখ্যসচিব কে সম্মুগম এদিন এক নির্দেশিকা জারি করে ৯জন আইএএস অফিসার ও বিভিন্ন দফতর থেকে বাছাই করা ৩৪ জন অফিসারকে মোদি-জিনপিংয়ের বৈঠক আয়োজনের দায়িত্ব দিয়েছেন। চিন থেকে আসা অতিথিদের অভ্যর্থনা জানানোর দায়িত্বেও থাকবেন এই অফিসাররা। চিনা প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানাতে ৩৪টি জায়গায় বিশেষ অভ্যর্থনা কেন্দ্র খোলা হচ্ছে।

পুলিশের এক মোটরবাইক বাহিনী বিমানবন্দর থেকে জিনপিংয়ের কনভয়ের সঙ্গে থাকবে। বাড়তি পুলিশ কর্মীদের রাজ্যের ১০ জেলা থেকে নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁরা ইতিমধ্যেই চেন্নাই পৌঁছে গিয়ে তাঁদের দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন। শনিবার চেন্নাই থেকেই নেপাল উড়ে যাবেন জিনপিং।


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন