গোটা দেশে ২০টিরও বেশি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের অবস্থা অত‍্যন্ত 'বিপজ্জনক'। যে কোনো মুহূর্তেই ভেঙে যেতে পারে বিল্ডিংগুলো। সম্প্রতি একটি অডিট রিপোর্ট থেকে এই তথ্য সামনে এসেছে।

এগুলোর মধ্যে কোনো কোনো বিদ‍্যালয়ের বিল্ডিং আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত, আবার কয়েকটি বিদ‍্যালয় সম্পূর্ণ ভগ্ন অবস্থায় রয়েছে। আরও আশ্চর্যের বিষয়, এই রিপোর্ট প্রকাশের আগে পর্যন্ত এরকম বিপজ্জনক বিল্ডিংয়ের মধ‍্যেই ছাত্রছাত্রীদের পঠনপাঠনের প্রক্রিয়া চালু ছিল। সম্প্রতি রিপোর্ট প্রকাশের পর কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বিদ‍্যালয়গুলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের এক উচ্চপদস্থ অফিসারের কথায়, "অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী, ২১টি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের বিল্ডিং বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ১৮টি আংশিকভাবে ও ৩টি বিদ‍্যালয় সম্পূর্ণ বিপজ্জনক।"

গুজরাটের একটি ও মহারাষ্ট্রের দুটি বিদ‍্যালয়ের সমস্ত বিল্ডিংগুলো বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। ইতিমধ্যেই এই বিল্ডিংগুলো প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।

অফিসারের কথায়, "চারটি বিদ‍্যালয়ে সম্পূর্ণ বিপজ্জনক বিল্ডিংগুলোর প্রতিস্থাপনের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এগুলোর মধ্যে একটি গুজরাটে ও বাকিগুলো মহারাষ্ট্রের বিদ‍্যালয়।" বাকি ১৭টি বিদ‍্যালয়ে বিল্ডিং প্রতিস্থাপনের কাজ কেন্দ্রীয় তহবিল ও নির্মাণ সংস্থার ওপর নির্ভর করছে।

২১টি বিদ‍্যালয়ের মধ্যে সবথেকে বেশি সংখ্যক বিপজ্জনক বিদ‍্যালয়ের সংখ্যা মহারাষ্ট্রে(৮টি)। এর মধ্যে তিনটি বিদ‍্যালয় ১৯৬০ সালে তৈরি করা হয়েছিল। এরপর আর কোনোরকম মেরামতের কাজ হয়নি বিদ‍্যালয় ভবনগুলোতে। আসামে বিপজ্জনক ভবনসহ বিদ‍্যালয়ের সংখ্যা তিনটি। উত্তরপ্রদেশ ও গুজরাটে দুটি করে এরকম বিদ‍্যালয় রয়েছে। ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয়, কেরালা, মধ‍্যপ্রদেশ ও সিকিমে একটি করে বিপজ্জনক কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় রয়েছে।


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন