গত পাঁচ বছরে প্রধানমন্ত্রী ২০৪টি 'নন্-অফিসিয়াল' ঘরোয়া ভ্রমণ করেছেন এবং এর জন্য খরচ হয়েছে ১.৪কোটি টাকা। ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে এই টাকা ইতিমধ্যেই ভারতীয় সেনাবাহিনী(IAF)-কে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি একটি সর্বভারতীয় ওয়েব পোর্টাল এর করা RTI-এর উত্তরে একথা জানিয়েছে IAF।

যদিও RTI-এর উত্তরে প্রধানমন্ত্রী কোন ধরনের বিমান পরিষেবা পাচ্ছেন সেকথা উল্লেখ করেনি IAF। কেবল বিমানের গন্তব‍্যস্থল, কোন পথ দিয়ে গিয়েছে এবং মোট কত ভাড়া পড়েছে সেকথা রয়েছে উত্তরে। বিমানের ভাড়া সংক্রান্ত যাবতীয় দায়িত্ব থাকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের হাতে।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিমানের ভাড়া অত‍্যন্ত কম লেখা রয়েছে। যেমন, ২০১৭ সালের ২৭শে এপ্রিল হওয়া 'চন্ডীগড়-সিমলা-আন্নাদালে-চন্ডীগড়' ভ্রমণের জন্য ভাড়া পড়েছে মাত্র ৮৪৫ টাকা। কিন্তু বাণিজ্যিক ফ্লাইটে চন্ডীগড় থেকে সিমলা যাওয়ার টিকিটের মূল্য হয় ২৫০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত। ২০১৯-এর ১৫ই জানুয়ারি 'বালাঙ্গির-পাথরচেরা' ভ্রমণের জন্য ভাড়া বাবদ IAF-কে দিতে হয়েছে ৭৪৪ টাকা। কেন স্বাভাবিকের তুলনায় কম ভাড়া উল্লেখ রয়েছে সে বিষয়ে অবশ্য কিছু জানায়নি প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। কিভাবে এই ভ্রমণের ভাড়ার হিসেব করা হয়েছে সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে প্রশ্ন করা হলেও প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি।

RTI অনুযায়ী, ২০৪টি ভ্রমণের মধ্যে একই দিনে একাধিক রাজ‍্যে গেলে একটি ভ্রমণ হিসেবেই তা উল্লেখিত। অপরদিকে কিছু ক্ষেত্রে, একটি রাজ‍্যে বেশ কয়েকদিনের ভ্রমণকেও একটি ভ্রমণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এবং এর জন্য একবারই বিমান ভাড়া দিতে হবে।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালের স্মারকলিপি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী যে কোনো নন্-অফিসিয়াল ভ্রমণের জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিমান ব‍্যবহার করতে পারেন। এর মূল‍্য সংক্রান্ত সমস্ত দায়িত্ব প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে দেওয়া হয়েছে।

(ফাইল ছবি)


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন