ভোটের আগে অস্বস্তিতে উত্তরপ্রদেশের মুখ‍্যমন্ত্রী যোগী আদিত‍্যনাথ। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করার জন্য আগামী ৭২ ঘন্টা কোনো নির্বাচনী প্রচার করতে পারবেন না তিনি। যোগী আদিত্যনাথের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীর জন‍্যও একই শাস্তি বরাদ্দ করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে মায়াবতীর ক্ষেত্রে শাস্তির সময়সীমা কিছুটা কম অর্থাৎ ৪৮ ঘন্টা প্রচার করতে পারবেন না তিনি। আগামীকাল সকাল ৬টা থেকে উভয়ের শাস্তি প্রক্রিয়া শুরু। আজ নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে একথা জানানো হয়েছে।

আজ এই শাস্তির কথা ঘোষণার আগে সুপ্রিম কোর্টের তিরস্কারের মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের কাছে সুপ্রিম কোর্ট জানতে চায় আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় রাজনৈতিক নেতাদের কী শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এরপরই নির্বাচন কমিশন একথা ঘোষণা করেন।

সম্প্রতি একটি নির্বাচনী সভাতে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে 'মোদীজির সেনা' বলে মন্তব্য করেছিলেন আদিত‍্যনাথ। তিনি বলেছিলেন, "কংগ্রেসের সময়ে জঙ্গীদের বিরিয়ানি খাওয়ানো হতো, কিন্তু মোদীর সেনা জঙ্গীদের বুলেট ও বোমা খাওয়াচ্ছে।" আদিত‍্যনাথের এই মন্তব্যের পর বিরোধীদের প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। এমনকি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেনারেল ভি কে সিংহ আদিত‍্যনাথের এই মন্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, "সেনা কোনো ব‍্যক্তির নয় সমগ্র জাতির।" যোগী আদিত‍্যনাথের এই মন্তব্যের জন্য নির্বাচন কমিশনের শাস্তির মুখে পড়েছেন তিনি। অন‍্যদিকে মায়াবতীর বিরুদ্ধে মুসলিম ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছিল।

এছাড়াও বিজেপি নেত্রী মানেকা গান্ধীর প্রচারেও ৪৮ ঘণ্টা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী প্রচারে ৭২ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে সমাজবাদী পার্টির নেতা আজম খানের ওপরেও।

 


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন