নীরব মোদী,  মেহুল চোকসি, বিজয় মালিয়ার ব্যাঙ্ক জালিয়াতি ও আত্মগোপনের পথ অনুসরণ করে ৫,৩৮৩ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতিতে অভিযুক্ত গুজরাট কেন্দ্রিক স্টারলিং বায়োটেকের মালিক নীতিন সন্দেসরাও দেশ ছেড়ে পালালেন। এই ঘটনার পরেই বিজেপির শাসনকালে এই নিয়ে তৃতীয় বৃহত্তম আর্থিক কেলেঙ্কারির কথা সামনে এলো।

সিবিআই ও ইডি তদন্তকারী সংস্হার দাবি বিপুল অঙ্কের ব্যাঙ্ক জালিয়াতি ঢাকতে তিনশোরও বেশি বেনামী কোম্পানি তৈরি করে, এগুলোর মাধ্যমে টাকা বিদেশে পাচার করা হচ্ছিলো। খবরে প্রকাশ, দুবাইতে নীতিন সন্দেসরা ও তার পরিবারের সদস্যদের আটক করা হয়েছে বলে ভুয়ো খবর প্রচার করে সকলকে বিভ্রান্ত করা হয়েছিলো।

তদন্তকারী সংস্হাগুলো দাবি করেছিল, আরব আমিরশাহীতে প্রভিশনাল অ্যারেস্টের আবেদন জানিয়ে চিঠি পাঠানো হবে। কিন্তু অভিযুক্তরা সে দেশে না থাকায় এটা অপ্রয়োজনীয় বলে মনে করা হচ্ছে। এর বদলে রেড কর্নার নোটিশ জারি করলে অপরাধীদের নাগাল পেতে সুবিধা হবে বলেই মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

সম্প্রতি জানা গেছে, নীতিন সন্দেসরা, তার ভাই চেতন ও ভাতৃবধূ দীপ্তিবেন এই মূহুর্তে নাইজেরিয়ায় আত্মগোপন করে আছেন। তদন্তকারী সংস্হা ইডির দাবি নাইজেরিয়ার সঙ্গে ভারতের বন্দী প্রত্যার্পণ বা পারস্পরিক আইনী সহায়তার কোনরকম চুক্তি না থাকার দরুণ আত্মগোপনকারীদের ফিরিয়ে আনতে যথেষ্ট বেগ পেতে হবে।


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন