রাজ্য বিজেপির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে প্রায় নিঃশব্দে বড়সড় রদবদল ঘটে গেল। এদিনই দলের রাজ্য সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হল অমিতাভ চক্রবর্তীকে। দলীয় স্তরে সুব্রত চট্টোপাধ্যায় দিলীপ ঘোষের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। তাঁকে আচমকা অপসারিত করার পর এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া এখনও জানা যায়নি।

একটানা ৭ বছর দলের সাধারণ সম্পাদক (সাংগঠনিক) থাকার পর এদিনই দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় অমিতাভ চক্রবর্তীর হাতে। যিনি এতদিন সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গেই অধস্তন হিসেবেই কাজ করছেন। আরএসএস-এর প্রচারক গত ২০১৯ সালে রাজ্যে আসেন। ২০১৪ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ দিনাজপুরের এই প্রচারক এবিভিপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এরপর তিনি সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ওড়িশায় চলে যান। ২০১৯-এ তিনি রাজ্যে ফেরেন দলের অতিরিক্ত সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব নিয়ে।

জানা যাচ্ছে দলীয় স্তরে বিভিন্ন জেলা থেকে এর আগে একাধিকবার অভিযোগ উঠেছে সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। প্রতিবারই তাঁর হয়ে সওয়াল করেছেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সূত্র অনুসারে বেশ কিছুদিন ধরেই সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে সরানোর পরিকল্পনা ছিলো বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের। কিন্তু বাধা হিসেবে ছিলেন দিলীপ ঘোষ। এবার সেই বাধা উপেক্ষা করেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল।

জানা যাচ্ছে আগামী নভেম্বর মাসে রাজ্য স্তরে বিজেপিতে বেশ কিছু সাংগঠনিক পরিবর্তন হতে পারে। অমিত শাহ এবং জেপি নাড্ডার রাজ্য সফরের পরেই হয়তো সেই পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে। অক্টোবর মাসের ১৯ তারিখ উত্তরবঙ্গ থেকে ঘুরে যাবার পর আগামী ৬ ও ৭ নভেম্বর ফের রাজ্য সফরে আসার কথা জে পি নাড্ডার।     


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন