অনশন প্রত্যাহৃত হল মেডিকেল কলেজে। ৩৩৬ ঘণ্টার হার না লড়াই করে অবশেষে ১৪ দিনের মাথায় ছাত্ররা জয় ছিনিয়ে নিলেন। সোমবার কলেজ কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট হয়ে ছাত্ররা অনশন প্রত্যাহার করেন। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছ থেকে লিখিত প্রতিশ্রুতি পাবার পরই ছাত্ররা তাদের অনশন প্রত্যাহার করার নেন। এরপর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের হাত থেকে জল পান করে ছাত্ররা অনশন ভঙ্গ করেন।

এদিন অনশন প্রত্যাহারের পর ছাত্রদের পক্ষ থেকে জানানো হয় - এটা ঐতিহাসিক জয়। এটা গণতন্ত্রের জয়। মেডিকেল কলেজের অনশনরত অনমনীয় জেদের কাছে মাথা নত করতে বাধ্য হলো প্রশাসন। একের পর এক ব্যর্থ বৈঠকের পর অবশেষে অনশনের ১৪ দিনের মাথায় বৈঠকে সমাধানসূত্র মিললো।

এদিন মেডিকেল কলেজে ছাত্রদের অনশন প্রসঙ্গে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু বলেন – এই আন্দোলনের পেছনে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ দাঁড়িয়েছেন। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, শঙ্খ ঘোষের মত মানুষরা এঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। অথচ অবাক হয়ে গেছি - ২১ জুলাই-এর কর্মসূচী এখান থেকে সামান্য দূরে পালিত হলেও অনশনরত মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের সম্পর্কে কেউ একটা কথাও বলেনি। এটা বাংলার সংস্কৃতি নয়। এতদিন এঁদের অনশন করতে হল কেন? এক ছাত্রের অবস্থা এখন স্থিতিশীল হয়েছে। কিনুত তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল করতে চিকিৎসকদের কালঘাম ছুটে গেছে।

জানা গেছে – সব বর্ষের পড়ুয়াদের জন্য আলাদা হোস্টেলের ব্যবহার করছেন কতৃপক্ষ। প্রতি বর্ষের পড়ুয়াদের জন্য দেওয়া হবে দুটি করে তলা। এই বিষয়ে লিখিত নির্দেশ হাতে পাবার পরেই ছাত্ররা তাদের অনশন প্রত্যাহার করে নেন।


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন