সিইএসসি ১৮৯৭ সালে তৈরি হয়েছিলো। শনিবার রাতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে নাম না করে এক ট্যুইট বার্তায় একথা জানালেন সিপিআই(এম) পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম।

এদিনের ট্যুইট বার্তায় মহম্মদ সেলিম আরও বলেন – “দায়িত্বহীনতা আর কুযুক্তির বেড়াজালে না জড়িয়ে অসহায় মানুষের জন্য জরুরী পরিষেবা দ্রুত পৌঁছানোর চেষ্টা করুন। মানুষের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙছে কিন্তু!” এরপরেই তিনি ওই ট্যুইটেই পুনশ্চঃ যোগ করে লেখেন –“#CESC ১৮৯৭ সালে তৈরী হয়েছিল বলে আজ কাটমানি খেয়ে বিদ্যুৎ মাশুল সর্বোচ্চ রাখতে তো মাননীয়ার অসুবিধা হয় না।”

 

উল্লেখ্য, এদিনই বিকেলে এক সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্যের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন – সি ই এস সি বেসরকারি সংস্থা এবং সিপিএম-এর আমল থেকে দায়িত্বে রয়েছে। তিনি আরও বলেন – সঞ্জীব গোয়েঙ্কার সঙ্গে কথা হয়েছে আমার। আশাকরি চার পাঁচ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

এদিনই সিইএসসি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে লকডাউনের কারণে কর্মীর অভাব আছে। পরিস্থিতি পুরো স্বাভাবিক হতে সোম মঙ্গলবার হয়ে যাবে। যদিও এদিন দিনভর কলকাতা হাওড়ার বিভিন্ন অঞ্চলে বিদ্যুতের দাবীতে, জলের দাবীতে মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখায়, পথ অবরোধ করে। দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় গত তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। বিদ্যুৎ না থাকার কারণে বহু ফ্ল্যাট বাড়িতেই পাম্প চালিয়ে জল তোলা যাচ্ছেনা। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকার কারণে মোবাইল চার্জহীন হয়ে পড়েছে। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। উত্তর কলকাতারও বেশ কিছু অংশে এখনও বিদ্যুৎ আসেনি।

 


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন