জর্জ ফ্লয়েডকে হত‍্যা করা হয়েছিল। ঘাড়ে তীব্র আঘাতের দ্বারা তাঁকে হত‍্যা করা হয়েছে। সোমবার প্রকাশিত জর্জ ফ্লয়েডের দেহের সরকারি ময়নাতদন্তের রিপোর্টে এই দাবি করা হয়েছে। এই হত্যাকান্ডকে ‘হোমিসাইড’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

মিনিয়াপলিসের হেনেপিন কাউন্টি মেডিকেল এক্সামিনার কর্তৃক প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "আইন প্রয়োগকারীর শাসন ও ঘাড়ের সঙ্কোচনের জটিলতায় কার্ডিওপালমোনারি অ্যারেস্টের কারণে মারা গেছেন ৪৬ বছরের জর্জ ফ্লয়েড। তাঁকে হত‍্যা করা হয়েছে। মৃত্যুর পদ্ধতি অভিপ্রায় বা নিন্দনীয়তা সম্পর্কিত আইনী সংকল্প নয়।"

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "মিনেসোটা রাজ্যের আইনের অধীনে মেডিকেল এক্সামিনার একটি নিরপেক্ষ এবং স্বতন্ত্র অফিস। যে কোনরকম প্রসিকিউটরিয়াল কর্তৃপক্ষ বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার থেকে এটি পৃথক এবং স্বতন্ত্র।"

প্রসঙ্গত, গত সোমবার মিনেসোটার মিনিয়াপোলিসে ডেরেক শভিন নামের এক শেতাঙ্গ পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে জর্জ ফ্লয়েড নামক এক কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিকে হত্যা করার অভিযোগ ওঠে। জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ওই পুলিশ অফিসার তাঁর গলায় হাঁটু দিয়ে চেপে ধরে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ। ৪৬ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডকে হত্যার ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল। ওই ভিডিওতে দেখা গেছে জর্জ ফ্লয়েড মৃত্যুর আগে পর্যন্ত বারবার জানাচ্ছিলেন ‘আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না’।

পুলিশি নৃশংসতার এই ঘটনার পর থেকেই বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে আমেরিকার বিভিন্ন প্রদেশ। ঘটে একাধিক ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা। বিক্ষোভ দেখানো হয় হোয়াইট হাউসের সামনেও। রবিবার রাতেই ২৩ প্রদেশের অন্তত ৪০টি শহরে কার্ফু জারি করা হয়েছে।

 


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন