২৭ এপ্রিল রাত একটার পরিসংখ্যান অনুসারে বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাস COVID-19 আক্রান্তের সংখ্যা ২৯ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এখনও পর্যন্ত আক্রান্ত ২৯,৭৯,৪১১ জন। এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২,০৬,২৪৪ জনের। সংক্রমণের শীর্ষে এখন আমেরিকা। এখনও পর্যন্ত ১৮,৯৭,৯১০ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস সক্রিয় বলে জানা গেছে। ৮,৭৫,২৫৭ জন ভাইরাস আক্রান্ত মানুষ সংক্রমণ মুক্ত হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে।

এখনও পর্যন্ত বিশ্বের ২১০ টি দেশ এবং অঞ্চল থেকে এই ভাইরাস সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। যার মধ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ সবথেকে বেশি ঘটেছে আমেরিকায়। সংক্রমিতের সংখ্যা ৯,৭৭,৬৩০। এর পরেই স্থান স্পেনের। ২,২৬,৬২৯ জন। ইতালিতে ১,৯৭,৬৭৫ জন। ফ্রান্সে ১,৬২,১০০ জন। জার্মানিতে ১,৫৭,১২০ জন। ইংল্যান্ডে ১,৫২,৮৪০ জন। তুরস্কে ১,১০,১৩০ জন, ইরানে ৯০,৪৮১ জন। চীনে ৮২,৮২৭ জন। রাশিয়াতে ৮০,৯৪৯ জন, ব্রাজিলে ৬০,৩১১ জন, কানাডায় ৪৬,৬৪ জন, বেলজিয়ামে ৪৬,১৩৪ জন, নেদারল্যান্ডে ৩৭,৮৪৫ জন, সুইজারল্যান্ডে ২৯,০৬১ জন, পেরুতে ২৭,৫১৭ জন, পর্তুগালে ২৩,৮৬৪ জন, ইকুয়েডরে ২২,৭১৯ জন, আয়ারল্যান্ডে ১৯,২৬২ জন, সুইডেনে ১৮,৬৪০ জন, সৌদি আরবে ১৭,৫২২ জন, অস্ট্রিয়াতে ১৫,২২৫ জন, ইজরায়েলে ১৫,৩৯৮ জন, মেক্সিকোতে ১৩,৮৪২ জন, সিঙ্গাপুরে ১৩,৬২৪ জন, চিলিতে ১৩,৩৩১ জন, পাকিস্তানে ১৩,৩২৮ জন, জাপানে ১৩,২৩১ জন, এবং পোল্যান্ডে ১১,৬১৭ জন।

করোনায় সংক্রমিত হয়ে এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক মৃত্যু হয়েছে আমেরিকায়। সেখানে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৫৫,০১৩। ইতালিতে মৃত্যু হয়েছে ২৬,৬৪৪ জনের। স্পেনে মৃত ২৩,১৯০। ফ্রান্সে ২২,৮৫৬ জন। ইংল্যান্ডে ২০,৭৩২ জন। বেলজিয়ামে ৭,০৯৪ জন। ইরানে ৫,৭১০ জন। চীনে মারা গেছেন ৪,৬৩২ জন।

এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুসারে শেষ কয়েক ঘণ্টায় চীনে নতুন করে ১১ জন সংক্রমিত হয়েছেন। আমেরিকায় ১৬,৯৭৯ জন, স্পেনে ২,৮৭০ জন, ইতালিতে ২,৩২৪ জন, ইংল্যান্ডে ৪,৪৬৩ জন এবং রাশিয়াতে ৬,৩৬১ জন। শেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা পৃথিবীতে নতুন ভাবে সংক্রমিতের সংখ্যা ৬০,০০৭ জন।

চীনে এখনও পর্যন্ত ৫১ জন, ইটালীতে ২,০০৯ জন, ফ্রান্সে ৪,৬৮২ জন, স্পেনে ৭,৭৬৪ জন, আমেরিকায় ১৫,১১৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রবিবার বিকাল ৫টায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৬,৯১৭। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত সংক্রমণ মুক্ত হয়েছেন ৫,৯১৪ জন। করোনা সংক্রমিত হয়ে ভারতে মারা গেছেন মোট ৮২৬ জন। শেষ ২৪ ঘণ্টায় ১,৯৭৫ টি নতুন সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৪৭ জন এবং ৭০৪ জনকে সুস্থ ঘোষণা করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের পরিসংখ্যান অনুসারে সর্বাধিক সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে মহারাষ্ট্রে, ৭,৬২৮টি, শেষ ২৪ ঘন্টায় ৮১১ জনের শরীরে নতুন করে সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। এরপরই রয়েছে গুজরাট, সেখানে ৩,০৭১ জনের শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়েছে। দিল্লিতে ২,৬২৫ জন, মধ‍্যপ্রদেশে ২,০৯৬ জন, রাজস্থানে ২,০৮৩ জন, ও তামিলনাড়ুতে ১,৮২১ জনের সংক্রমণ ঘটেছে। উত্তরপ্রদেশে ১,৮৪৩ জন, অন্ধ্রপ্রদেশে ১,০৯৭ জন, তেলেঙ্গানায় ৯৯১ জন, পশ্চিমবঙ্গে ৬১১ জন, কর্ণাটকে ৫০১ জন, জম্মু ও কাশ্মীরে ৪৯৪ জন, কেরালায় ৪৫৮ জন, পাঞ্জাবে ২৯৮ জন, হরিয়ানাতে ২৮৯ জন, বিহারে ২৫১ জন, ওড়িশায় ১০৩ জন, ঝাড়খন্ডে ৬৭ জন, উত্তরাখণ্ডে ৫০ জন, হিমাচল প্রদেশে ৪০ জন, ছত্তিশগড়ে ৩৭ জন, আসামে ৩৬ জন, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ৩৩ জন, চন্ডীগড়ে ৩০ জন, লাদাখে ২০ জন, মেঘালয়ে ১২ জন, গোয়াতে ৭ জন (৭জনই সুস্থ), পুদুচেরিতে ৭ জন, মনিপুরে ২ জন, ত্রিপুরায় ২জন, মিজোরামে ১ জন, অরুণাচল প্রদেশে ১ জনের শরীরে সংক্রমণ পাওয়া গেছে।

মৃতের সংখ্যার বিচারে রাজ‍্যগুলির মধ্যে প্রথম রয়েছে মহারাষ্ট্র, এখনও পর্যন্ত মোট ৩২৩ জন আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে রাজ‍্যে, শেষ ২৪ ঘন্টায় মারা গেছেন ২২ জন। গুজরাটে ১৩৩ জন, মধ্যপ্রদেশে ৯৯ জন, দিল্লিতে ৫৪ জন, রাজস্থানে ৩৩ জন, অন্ধ্রপ্রদেশে ৩১ জন, উত্তরপ্রদেশে ২৯ জন, তেলেঙ্গানায় ২৬ জন,  তামিলনাড়ুতে ২৩ জন, কর্ণাটকে ১৮ জন, পশ্চিমবঙ্গে ১৮ জন, পাঞ্জাবে ১৭ জন, জম্মু ও কাশ্মীরে ৬ জন, হরিয়ানায় ৩ জন, কেরালায় ৪ জন, ঝাড়খন্ডে ৩ জন, বিহারে ২ জন, হিমাচল প্রদেশে ১ জন, ওড়িশায় ১ জন, মেঘালয়ে ১ জন, আসামে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন