বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক ডঃ আনিসুজ্জামানের জীবনাবসানে সারা ভারত শান্তি ও সংহতি সংস্থার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির পক্ষে থেকে গভীর শোকপ্রকাশ করা হল। গতকাল এক শোকবার্তায় সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রয়াত অধ্যাপকের পরিবার, গুণমুগ্ধদের সমবেদনা জানানো হয়।

ওই শোকবার্তায় সংগঠনের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক অঞ্জন বেরা, বিনায়ক ভট্টাচার্য এবং প্রবীর ব্যানার্জি ডঃ আনিসুজ্জামানের মৃত্যুকে শুধু বাংলাদেশের ক্ষতি নয়, এরাজ্যের এবং এদেশের গণতন্ত্র ও ধর্ম নিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী সব মানুষের পক্ষেও বিরাট ক্ষতি বলে জানিয়েছেন।

১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি অবিভক্ত ভারতের চব্বিশ পরগণা জেলার বসিরহাটে জন্মগ্রহণ করেন ডঃ আনিসুজ্জামান। চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাঙলা ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক ডঃ আনিসুজ্জামান সক্রিয় ছিলেন ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণ অভ্যুত্থান এবং ১৯৭১-এর বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধে। ঢাকা বাঙলা আকাদেমির সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। নীতিগত প্রশ্নে দৃঢ় এই মানুষটি আজীবন লড়াই চালিয়েছেন ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টে ৫৫ মিনিটে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তিনি প্রয়াত হন।

তাঁর ৮০ তম জন্মবর্ষ উপলক্ষ্যে চন্দ্রাবতী একাডেমী আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২৭ অক্টোবর, ২০১৭ ডঃ আনিসুজ্জামান বলেন – ‘ভাষা আন্দোলনের অল্পকাল পরে আমি গোপনে কমিউনিস্ট পার্টির সংস্পর্শে আসি। সে সংযোগ বছর পাছেকের বেশি স্থায়ী হয়নি। তবে ওই সময় বামপন্থার যে শিক্ষা লাভ ক্রেছিলান, তা জীবন ও জগত সম্পর্কে আমার দৃষ্টিভঙ্গী চিরকালের জন্যে গঠন করে দিয়েছিলো। ওই শিক্ষা না পেলে আমি আজকের আমি হতে পারতাম না।’

 


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন