ভগিনী নিবেদিতা তাঁর চিঠিপত্রের উপর ব্রিটিশ সরকার জোরদার নজরদারি চালাচ্ছে অনুমান করে পোস্টমাস্টার জেনারেলকে একটি চিঠি দিলেন।

অত্যন্ত চাঁছাছোলা ভাষায় লেখা সেই চিঠিটি লিখেছিলেন নিবেদিতা। সেই চিঠিতে অত্যন্ত সাহস, ব্যঙ্গ এবং শ্লেষের সঙ্গে নিবেদিতা লিখছেন, “আমার বোনের বাচ্চাকাচ্চাদের এবং বোনেদের রান্নাবান্নার গোপন খবরাখবর সম্বন্ধে আপনার অধস্তন কিছু কিছু কর্মচারী আজকাল অত্যন্ত বেশি রকমের কৌতূহল বোধ করছেন। আপনার অধীনস্থ কর্মীদের সেই কৌতূহলের বিষয়টা জানবার পর থেকেই আমি খুব সহজেই বিষয়টি বুঝতে পারছি। চিঠিগুলো সব খুলে দেখা এবং পড়বার পর আবার যদি সেই চিঠিগুলিকে বন্ধ করে আমার কাছেই পাঠিয়ে দেওয়ার নির্দেশ আপনি আপনার অধস্থন কর্মচারীদের অনুগ্রহ করে দেন, তাহলে আমি খুবই কৃতজ্ঞ হবো। আপনারা এই সময়ে যে পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন তা একান্তভাবেই আমার কাছে বিরক্তির সৃষ্টি করছে। আপনাদের এই পদ্ধতির জন্যে আমার প্রয়োজনীয় চিঠিপত্রও সব হারিয়ে যেতে বসেছে। এই যে অস্বস্তিকর অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, তার থেকে আমি পরিত্রাণ চাইছি।

আজ সকালেই একটি চিঠি আমি পেয়েছি। সকালে পাওয়া সেই চিঠিটিই গোটা পরিস্থিতি বোঝবার জন্যে আমি আপনার কাছে পাঠাচ্ছি। এই চিঠিটি আমি যে আকারে পেয়েছি, সেই আকারটি অক্ষুন্ন রাখতে আমাকে যথেষ্ট পরিমাণে বেগ পেতে হয়েছে। এছাড়াও আমার অভিযোগের একটা দীর্ঘ তালিকা রয়েছে। আমি আজকাল যেসব চিঠিপত্রগুলি পাচ্ছি, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখতে পাচ্ছি যে, সেইসব চিঠিগুলোর প্রথম পাতাটি ছেঁড়া। সাহিত্যিক রচনাসমূহ যেগুলি আমি পাচ্ছি, সেগুলির উপরের মোড়কটি অদ্ভুতভাবে ছেঁড়া অবস্থায় গোটাটা আমার হাতে আসছে। আমি এটা আশা করছি যে, এই যে চিঠিটি একটি নকল রেখে আমি আপনার কাছে পাঠাচ্ছি, সেটি সরাসরিই আপনার হাতে গিয়ে পৌঁছবে।” (এই চিঠিটি পোস্টমাস্টার জেনারেলকে নিবেদিতা লিখেছিলেন ১৯১০ সালের ১৭ই এপ্রিল।)

তার আগের বছর, অর্থাৎ ১৯০৯ সালের ১ লা সেপ্টেম্বর র‍্যাডক্লিফ দম্পতিকে নিবেদিতা লিখছেন; “আমাকে যদি চিঠিপত্রে সব সময়ে তুমি ‘২’ নম্বর ক্রমিকটি লিখে চালিয়ে দাও, তাহলে খুবই কৃতজ্ঞ থাকবো। এই ভূমিকাটাই চমৎকার হবে। এডেন থেকে বোম্বাই অবধি ‘পি অ্যান্ড ও’ কোম্পানির ফার্স্ট ক্লাস কেবিনটিই আমাকে ব্যাপার-স্যাপারগুলো সব বুঝিয়ে দিয়েছে। সেখানে দশ থেকে পনের জনের মতো লোক সব চিঠিপত্রগুলো নিয়ে দারুণ খাটছে। রেজিস্টার্ড চিঠিও আর নিরাপদ নয়। রেজিস্টার্ড চিঠিকেও আর ছাড়ছুড় দেওয়া হচ্ছে না। বিভিন্ন ধরণের লোকজন সব নিয়োগ করা হয়েছে। নানা সময়ে আমি ঘরটার সামনে দিয়ে গিয়েছি। যাতায়াতের পথে দেখেছি উঁচুদরের কেরানীদের একজন চিঠিপত্র সব উঁচুতে তুলে মনযোগ দিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে চলেছে। সেভাবে নিরীক্ষণ করে তারা দেখছে যে, ওই চিঠিটি খুলে পড়বার দরকার আছে কি না, সেই সম্পর্কে।”

র‍্যাডক্লিফ দম্পতিকে পরের বছর ১৯১০ সালের ১৭ ই ফেব্রুয়ারি নিবেদিতা লিখছেন, “এই ঠিকানা কেন আমি ব্যবহার করি না, তা তোমাকে আলাদা ভাবে ব্যাখ্যা করে বোঝাবার নিশ্চয়ই তেমন কোনো প্রয়োজন আর নেই। যতক্ষণ না তোমাকে শহরের কোনো নিরাপদ মানুষের হাত দিয়ে চিঠিগুলো ফেলবার ব্যবস্থা না করতে পারি ততক্ষণ যেন এই ঠিকানার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগি। এইসব কারণেই কেটি (শ্রীমতী র‍্যাডক্লিফ) তাঁর বিয়ের আগে যে ঠিকানাতে থাকতো, সেই ঠিকানাতে তোমাকে চিঠি পাঠাই। এছাড়াও অন্য উপায়ে তোমাকে চিঠি পাঠাই। যখনই নতুন কোনো বিপ্লবাত্মক ঘটনা ঘটে তখনই যেন কর্তৃপক্ষ বেশ ভালোরকমের একটা নয়া উৎসাহ নিয়ে ডাক ব্যবস্থার বিঘ্ন ঘটাতে কাজে নেমে পড়ে। মজার কথা হলো, সেই সময়ে আমার সব মানুষজনেরা, আমার সব বোনেরা কেমন যেন অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েন।”

সেই বছরের ই এপ্রিল মাসের ২৪ তারিখে এই র‍্যাডক্লিফ দম্পতিকে নিবেদিতা যে চিঠিটি লেখেন, সেটির থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শক্তি লোকমাতা নিবেদিতার কর্মকান্ডের উপরে কী ভয়ানক গুপ্তচরবৃত্তি চালিয়েছিল। নিবেদিতা র‍্যাডক্লিফ দম্পতিকে লিখছেন, “কয়েক সপ্তাহ আগে আমি একটা চিঠি পেয়ে বেশ অবাক হয়ে গেলাম। ভাবতেই পারবে না যে, আমার সেই চিঠিটির একটা কোনা এমন ভাবে ছেঁড়া হয়েছে যে সেই চিঠিটা আমি পোস্টমাস্টার জেনারেলকে পর্যন্ত পাঠিয়ে আমার অভিযোগ জানিয়েছি। পোস্টমাস্টার জেনারেলকে সেই ছেঁড়া চিঠি পাঠিয়ে আমি অনুরোধ করেছি যে, আমার সব চিঠিপত্রগোলি খুলে পড়ে তারপর সেগুলি আবার মুখবন্ধ করে আমার কাছে পাঠাবার জন্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশ যেন তিনি তাঁর অধস্তন কর্মচারীদের ভালোভাবে দিয়ে রাখেন।

পোস্টমাস্টার জেনারেল আমার কাছে রেজিস্টার্ড চিঠিতে তাঁর জবাব পাঠিয়েছেন। আর একজন ব্যক্তির কাছেও পাঠিয়েছেন। তাঁদের কাছ থেকেই সবকিছু আমি সঠিক ভাবে জানতে পেরেছি। আমার নাম যে বিদ্রোহী বা সন্দেহভাজন মানুষদের তালিকায় প্রকাশ্যে এবং সরাসরি এই মুহুর্তে যুক্ত হয় নি-সে কথাও আমি জেনেছি। তবে এটা বুঝেছি যে, এই পোস্টমাস্টার জেনারেল তাঁর লোকজনদের মাধ্যমে ট্রেনে, জাহাজপথে বা অন্য কোনো উপায়ে এইসব চিঠিপত্রের উপর হস্তক্ষেপের ব্যাপারে কার্যত কোনোই ক্ষমতা রাখেন না। তাঁদের এই অবস্থাটা আমি বেশ ভালো রকমই হৃদয়ঙ্গম করতে পারছি বলা যেতে পারে। তবে তাঁদের অবস্থাটা বুঝতে পারলেও আমার চিঠিপত্র সম্পর্কে ঠিক মতো নিশ্চিন্ত হয়েছি-এ কথা বলতে পারি না। যদি কখনো তোমার আমাকে বিশেষ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চিঠি বা অন্য কিছু পাঠাবার দরকার হয়, তাহলে তুমি সেগুলো খুব ভালোভাবে সিল করে সেসব আমার প্রতিনিধির হাতে দিও। আমার প্রতিনিধিদের আমি বলে দেবো, তাঁরা যেন জানান যে, আমি নিজের হাতে সেইসব জিনিষগুলো গ্রহণ করবো। সেটি পাঠাবার জন্যে তাঁরা ডাকটিকিট চাইতে পারে, তবে কিনা ইংলন্ডের ডাক টিকিট হলে পড়েও চলবে। এটা বলছি, যদি কোনো বিশেষ রকমের জরুরি কোনো বিষয় ঘটে তবে কেবলমাত্র তারই জন্যে।”

র‍্যাডক্লিফ দম্পতিকে লেখা নিবেদিতার এই চিঠি থেকেই বুঝতে পারা যাচ্ছে যে, ব্রিটিশের নজরদারি থেকে বাঁচতে তাঁকে কী ধরণের সতর্কতার ভিতরে কেবল ভারতের মাটিতেই নয়, ইউরোপেও দিন কাটাতে হতো। এই চিঠির অল্প কিছুদিন পরেই মিঃ র‍্যাডক্লিফকে লেখা একটি চিঠিতে ব্রিটিশের গুপ্তচরবৃত্তির প্রতিবাদে আরো দীপ্ত কন্ঠে লেখেন, “একটা চিঠি আর একটা পোস্টকার্ড এক সপ্তাহে আমার কাছে এসে পৌঁছিয়েছে। সবটাই একসঙ্গে আমি পেলাম। এমন হওয়ার কারণ এই যে, যে ঠিকানা রয়েছে, সেই ঠিকানা আমি কখনোই ব্যবহার করি না (ওই চিঠিতে বাগবাজারে ভগিনী নিবেদিতার যে বাসভবন, ১৭ নম্বর বোসপাড়া লেনের উল্লেখ ছিল। সতর্কতার কারণে সাধারণভাবে নিবেদিতা ওই ঠিকানা কখনোই ব্যবহার করতেন না-গৌরা)। শহরে যদি নিরাপদ কারো হাতে চিঠিটি পেয়ে যাওয়ার সুনির্দিষ্ট সম্ভাবনা থাকে, তাহলেই আমি এখানকার ঠিকানাটা ব্যবহার করি। ওই সময়ে আমি খুব আশ্চর্য বোধ করে চিঠিগুলো নেওয়া থেকে নিজেকে বিরত রেখেছিলাম।কোনো পরিচারক উৎসুক হয়ে উঠতেই পারে গোপন ব্যাপার স্যাপার সম্পর্কে।এসবের ভার তো কোনো ভদ্রলোকের উপরেই দিতে হবে।” (চিঠিটি ১৯১০ সালের ৬ ই জুলাই নিবেদিতা লিখেছিলেন)। পরিস্থিতি এতোটাই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছিল যে, শ্রীমতী র‍্যাডক্লিফের কাছে শ্রী র‍্যাডক্লিফের উদ্দেশ্যে নিবেদিতা যে চিঠিটি ওই দিন লিখেছিলেন তাতে খুব স্পষ্ট ভাষাতেই তিনি জানিয়েছিলেন যে, র‍্যাডক্লিফকে যে চিঠি তিনি লিখছেন সেই চিঠির নীচে কোনো অবস্থাতেই তিনি তাঁর নিজের নাম লিখবেন না। সেই চিঠিটা যাতে শ্রী র‍্যাডক্লিফকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, তেমন অনুরোধ ওই চিঠির মাধ্যমেই শ্রীমতী র‍্যাডক্লিফকে নিবেদিতা করেছিলেন।

শ্রী র‍্যাডক্লিফকে নিবেদিতা লিখছেন, কলকাতার পোস্ট আপিস কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে বিশ্বাসভঙ্গের কাজ করছে বলে তিনি সরাসরি মনে করছেন না। তিনি লিখছেন, “পুলিশের কাছে যেখানে কোনো ব্যক্তি বিশেষের চিঠি পাঠাবার সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা না থাকে, সেখানে কিন্তু জাহাজী পোস্টাপিসে এই চিঠি খোলার কাজটি হয় (এই প্রসঙ্গে জাহাজে চিঠি খোলা নিয়ে নিবেদিতার ব্যক্তি অভিজ্ঞতার কথা এই নিবন্ধের শুরুতে বর্ণনা করা আছে)। আমার নিশ্চিত ধারণা এই যে জাহাজী পোস্টাপিস সাধারণ মানুষদের দ্বারা পরিচালিত হয় না। আমি নিশ্চিত যে, একদম পেশাদার গোয়েন্দারাই জাহাজী পোস্টাপিসগুলি সম্পুর্ণ ভাবে পরিচালনা করে থাকেন। তবে এই জাহাজী পোস্টাপিসগুলি পেশাদার গোয়েন্দাদের দিয়ে পরিচালনা করবার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ গোটা ব্যাপারটা কতোখানি মন থেকে সমর্থন করেন-সে সম্পর্কে আমার একটা ধন্দ কিন্তু শেষ পর্যন্ত থেকেই যাচ্ছে। এখানকার পোস্ট মাস্টার জেনারেল তো ট্রেনে চিঠি খোলা বন্ধ নিয়ে এক্কেবারে সরাসরি হাত তুলে নিয়েছেন। বড়বাজারে তো হরবখত চিঠিপত্র চুরি হয়। পোস্টমাস্টার জেনারেল এই বড়বাজারে চিঠি চুরি সম্পর্কে সব কিছু করেও কেমন যেন হতবুদ্ধি হয়ে যান। হয়তো সহজ বিশ্বাসেই পোস্টমাস্টার জেনারেল সব কথা বলেন।” নিবেদিতা এখানেই তাঁর এই চিঠিটি শেষ করে শেষে কেবলমাত্র একটি “কিন্তু” শব্দটি এঁকে রেখেছিলেন
(চিঠি ১৯১০ সালের জুলাই মাসের ১৯ এবং ২০ তারিখ ধরে লেখা হয়েছিল!) ।

এই সময়কালে পরিস্থিতি এতোটাই জটিল হয়ে উঠতে শুরু করে যে নিবেদিতার অনুগামী ধরে নিয়ে শ্রীমতী উইলসন এবং আচার্য জগদীশচন্দ্র বসুর উপর খানা তল্লাশীর সম্ভাবনা ক্রমশ তীব্র হয়ে উঠেছিল।সেই সম্ভাবনার কথাই লিখছেন শ্রীমতী উইলসনকে নিবেদিতা, “(চিঠিটি লেখা হয়েছিল ১৯১০ সালের ২২ শে সেপ্টেম্বর তারিখে) আমি ভাবছি যে বেশ কতকগুলো পুরনো ডাইরি পাঠিয়ে দেবো তোমার কাছে। অন্যান্য সব ডাইরির সঙ্গে বেশ একটু সাবধান করে এই ডাইরিগুলোকে একটু যত্ন করে তুমি রেখে দেবে। মিন্টোরা চলে যাবার আগেই যদি এইসব কাগজপত্রগুলো ঠিকঠাক তোমাদের হাতে পৌঁছে যায়, তাহলে অনেকটাই নিশ্চিন্ত হওয়া যায়। যদি তেমন কিছু সত্যি সত্যিই ঘটে তাহলে আমি কিন্তু চাইবো অন্যদের উপর তল্লাশি না হয়ে তোমার বা ডাঃ বসু বা ক্রিস্টিনের উপরেই তল্লাশির খাড়াটা নেমে আসুক।”

শ্রীমতী ম্যাকলাউডকে লেখা পরের একটি চিঠিতে নিবেদিতা স্যার জগদীশের ও ছদ্মনাম ব্যবহার করছেন।তিনি লিখছেন, “খোকাকে এই কথা বলতে যে, সে যেন ক্রিস্টিনকে বলে খোকাই ব্যাঙ্ককে যা নির্দেশ দেওয়ার দেবে। মোড়কের ভিতরে তাঁদের নামে পাঠানো চিঠিও খোকার কাছেই পাঠাতে হবে। এটা কিন্তু অবশ্যই একটা অতিরিক্ত সুবিধা নেওয়া। এটা আমার এখন বোঝা হয়ে গেছে যে, ক্রিস্টিনকে যে সঙ্কেত আমি দিয়েছিলাম, সেই সঙ্কেত এই চিঠির বিষয়ে আদৌ খাটবে না। তাই এই চিঠিতেই আমি আর একটা নতুন সঙ্কেত তৈরি করে ক্রিস্টিনকে পাঠাতে চাইছি।” (এই চিঠিটি লেখা হয়েছিল ১৯১০  সালের ডিসেম্বর মাসের ৪ তারিখে। চিঠিতে যে “খোকা” উল্লেখ আছে, তিনিই হলেন স্যার জগদীশ।এই চিঠিতে যে নতুন একটি সঙ্কেত চিহ্ন উদ্ভাবন করে ক্রিস্টিনকে পাঠাবেন বলে নিবেদিতা লিখছেন, সংশ্লিষ্ট চিঠিটিতে আর শেষপর্যন্ত সেই সঙ্কেত চিহ্ন নিবেদিতা লেখেন নি-গৌরা)। এই চিঠির ঠিক দুমাস আগেও শ্রীমতী র‍্যাডক্লিফকে লেখা একটি চিঠিতে নিবেদিতা লেখেন যে, তাঁর ধারণা তাঁর স্থানত্যাগের পর যদি র‍্যাডক্লিফের সাপ্তাহিক কাগজ আসে তাহলে সেই কাগজ খুলবেন স্যার জগদীশ। নিবেদিতা ১৯১০ সালের অক্টোবর মাসের ১৪ তারিখে শ্রীমতী র‍্যাডক্লিফকে লেখা এই চিঠিতে অবশ্য স্যার জগদীশকে “হিমসেলফ” বলেই অভিহিত করেছিলেন।(ক্রমশঃ)


জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন