যথেচ্ছ অ্যান্টিবায়োটিক ব‍্যবহারে ছোট্ট শিশু থেকে বৃদ্ধ মানুষ সকলের জীবনে ওষুধ এক মারাত্মক রেজিস্টে্নস গড়ে তূলেছে।

বিশেষ়‌জ্ঞ মহল ও চিকিৎসকদের মতে ওষুধের দোকান থেকে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই সাধারণ মানুষ যখন তখন অপ্রয়োজনেই বিভিন্ন প্রকার অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খাচ্ছেন এবং ওষুধ সম্পর্কে  সঠিক না জানার জন‍্য, ওষুধের ডোজ এবং কোর্স সম্পূর্ণ না হওয়ার কারণেই এই রেজিস্টেন্স তৈরী হচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্হা উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যে, এই অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স-এর কারণে আগামী ১০বছরে সারা বিশ্বে প্রায় ১০ কোটি মানুষের মৃত্যু ঘটবে। এছাড়াও খাদ‍্য তালিকায় থাকা মুরগির মাংসের থেকেও মানুষের শরীরে অ্যান্টিবায়োটিক খানিকটা করে প্রবেশ করার ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। কারন অনেক ক্ষেত্রেই ব‍্যক্তি মালিকানার পোল্ট্রিতে মুরগীকে পশুপাখির জন্য ব‍্যবহৃত ওষুধের পরিবর্তে মানুষের জন‍্য ব‍্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিকই অল্প পরিমাণে খাওয়ানোর হয়। ঐ অ্যান্টিবায়োটিক আবার মানুষের শরীরে গিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেনস তৈরী করছে।

সবচেয়ে ভয়ানক ঘটনাটি হলো যেসমস্ত টিবি রোগে আক্রান্ত রোগী যারা না জেনেই ওষুধ বন্ধ করেছেন তাদের মধ্যে ওষুধের রেজিস্টেনস তৈরীর ফলে মাল্টিড্রাগ রেজিস্টেনস টিবি ব্যাকটিরিয়া অন্যান্য মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ছে যা সাধারণ ওষুধের মাধ‍্যমে চিকিৎসা কখনোই সম্ভব নয়। এর জন‍্য অত‍্যন্ত খরচ সাপে়ক্ষ ওষুধের প্রয়োজন। ফলত, সাধারণ মানুষ অত‍্যন্ত বিভীষিকাময় পরিস্থিতির মুখোমুখি এসে দাঁড়াচ্ছে।

জনপ্রিয় খবর

  • এই সপ্তাহের এর

  • এই মাস এর

  • সর্বকালীন